বই এমন একটি উপকরণ, যা একজন মানুষকে সহজেই আলোকিত করে তুলতে পারে। শিক্ষার আলো, নীতি-নৈতিকতা-আদর্শ, ইতিহাস-ঐতিহ্য, কৃষ্টি-সভ্যতা, সাহিত্য-সংস্কৃতিসহ সবকিছুই রয়েছে বইয়ের ভেতরে। একমাত্র বইয়ের মধ্যেই আছে সব ধরনের জ্ঞান। তাই জীবনের জন্য বই প্রয়োজন। বই প্রেমীদের জন্য সুখবর হচ্ছে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘গারো বইমেলা-২০২১’ । মেলাটি হচ্ছে গুলশান থানাধীন কালাচাঁদপুরের শিশু মালঞ্চ স্কুল প্রাঙ্গণে। বইমেলা আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গারো বইমেলা উদ্বোধন করবেন বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন। মেলা উদ্বোধন হবে ১ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৫.০০মি। গারো বইমেলা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বর্ণিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মেলা আয়োজক কমিটি। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের বিশেস দায়িত্বে আছেন মিশ্রা চিসিম এবং মেনুস রংদির দল।

বইমেলা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে গারো জাতিসত্তার বিশিষ্ট কবি মতেন্দ্র মানখিন, লেখক থিওফিল নকরেক, উপ সচিব ব্রেনজন চাম্বুগং, উপ সচিব হেমন্ত হেনরি কুবি, লেখক ধীরেশ চিরান, কবি অরন্য চিরান, লেখক নীতিশ কে দ্রং, উপ কর কমিশনার কর্ণেলিউস কামা, লেখক ফাদার বা্ইওলেন চাম্বুগংসহ আরো অনেকেই উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।

গারো বইমেলা ২০০৮, প্রধান অতিথি কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন
মেলা আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক কবি মিঠুন রাকসাম বলেন, আমরা চাই সব গারো লেখকদের লেখা এক সাথে পাঠকদের হাতে তুলে দিতে। মেলাতে এসে পাঠক তাদের প্রিয় লেখকের প্রিয় বইটি নিতে পারবে, লেখকদের সাথে আড্ডা দিতে পারবে, লেখক-পাঠকের ভাবনা বিনিময় হবে, মতের আদান-প্রদান হবে। আমরা চেষ্টা করছি সব গারো লেখকদের লেখা বই একত্র করতে যা পাঠক বা বই প্রেমিদের জন্য সংগ্রহ করতে সুবিধা হবে। আর থকবিরিম তো তাদের উদ্দেশ্য নিয়ে গারো লেখকদের লেখা প্রচার-প্রসারে কাজ করে যাচ্ছেই… মাসজুড়ে বইমেলা করার উদ্দেশ্যই হচ্ছে তরুণ সমাজকে নিজ ভাষা-সাহিত্য-সংস্কৃতির প্রতি উদ্বুদ্ধ করা, তাদের মাঝে পাঠাভ্যাস তৈরি করা, পাঠক তৈরি করা। এটা কিন্তু থকবিরিমেরও উদ্দেশ্য। আমরা ২১ফেব্রুয়ারির দিন মাতৃভাষায় কবিতা পাঠ, কবিতা থেকে গান, নাচ, আলোচনা অনুষ্ঠান করার পরিকল্পনা করেছি। এখন সময়ই বলে দিবে কতটুকু পারবো।

গারো বই মেলা ২০০৮’র অতিথিবৃন্দ
কবি মতেন্দ্র মানখিন বলেন, গারো বইমেলা হচ্ছে এটা খুবই খুশির খবর। বই প্রকাশ করলেই হবে না, তা প্রচারও করতে হবে। থকবিরিম এই প্রচারের কাজটি ভালই করছে। তাদের এই উদ্বোগটা খুবই ভালো। শরীর ভালো থাকলে আমি অবশ্যই যাবো। আমি কবি জেমস জর্নেশ চিরানকেও বলেছিলাম কিন্তু তার বাড়িতে বিশেষ কাজ থাকায় সে যেতে পারবে না উদ্বোধনীর দিন!
প্রতিদিন মেলা চলবে বিকাল ৪ থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত। মেলায় গারো জাতি সত্তার লেখকদের প্রকাশিত গবেষণা গ্রন্থ, গল্প, উপন্যাস, কবিতা, প্রবন্ধসহ নানা ধরনের বই পাওয়া যাবে। মেলায় ৩৫% থেকে ৬০% ছাড়ে বই বিক্রি হবে বলেও জানিয়েছেন আয়োজক কমিটি!
মেলা আয়োজন করেছে ‘থকবিরিম’ সাহিত্যপত্র এবং প্রকাশনী। মেলা অনুষ্ঠিত হবে গুলশান থানাধীন কালাচাঁদপুরে অবস্থিত শিশু মালঞ্চ স্কুল প্রাঙ্গণে।
।। প্রণব নকরেক, থকবিরিম
‘লেখক অভিধান : পরাগ রিছিল’
: পরাগ রিছিল কবি-গবেষক-সংস্কৃতিকর্মী জন্ম : ১৯৮১ সালের ৩ জুলাই জন্মস্থান......বিস্তারিত
-
ধরাতী গ্রামে রংচু গালা অনুষ্ঠিত
: ২০২৫ সালের প্রথম রংচু গালা ধরাতী গ্রামে শুরু হয়েছে। গত...
-
প্রণব নকরেক-এর দুটি কবিতা
: অভিশপ্ত সিসিফাস আষাঢ়ে ভেজা পথ হাঁটছি একা মিলছেনা অবসর ক্লান্তিতে...
-
আজ লেখক ও গবেষক সুভাষ জেংচামের জন্মদিন
: গারো জাতিসত্তার বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক সুভাষ জেংচামের আজ জন্মদিন! থকবিরিম...
-
Ku’bibal ।। Dama।। Liang Ritchil
: Dama Liang Ritchil Rangri mandal gambari, Oe ku•monggrike dongari; Nokma...
-
লেখক অভিধান : পরাগ রিছিল
: পরাগ রিছিল কবি-গবেষক-সংস্কৃতিকর্মী জন্ম : ১৯৮১ সালের ৩ জুলাই জন্মস্থান...
-
নিগূঢ় ম্রং-এর দুটি কবিতা
: অদ্ভুত নেশা —————– খোঁপায় বুনোফুল লাল টকটকে দকমান্দা পড়া উদাসী...
‘ধরাতী গ্রামে রংচু গালা অনুষ্ঠিত’
: ২০২৫ সালের প্রথম রংচু গালা ধরাতী গ্রামে শুরু হয়েছে। গত......বিস্তারিত
‘লেখক অভিধান : পরাগ রিছিল’
: পরাগ রিছিল কবি-গবেষক-সংস্কৃতিকর্মী জন্ম : ১৯৮১ সালের ৩ জুলাই জন্মস্থান......বিস্তারিত







ধরাতী গ্রামে রংচু গালা অনুষ্ঠিত
প্রণব নকরেক-এর দুটি কবিতা
আজ লেখক ও গবেষক সুভাষ জেংচামের জন্মদিন
Ku’bibal ।। Dama।। Liang Ritchil
লেখক অভিধান : পরাগ রিছিল
নিগূঢ় ম্রং-এর দুটি কবিতা












