শৈশব
কোনো এক ভোরের আগে,
ফিরে যাবো আমি পল্লি মাটির কাছে।
সূর্য উঠবে মাটির ঘ্রানে
এক টুকরো রোদ নেব-সামনে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বানে।
পুকুর থেকে মুক্তা নেব,
যখন দুপুর হবে
ঝিঁঝি পোকারা তখন চুপ থেকো
রাতে কথা হবে।
রাত হলেই তারা গুনবো,
শীতল পাটিতে বসে।
চাঁদের সাথে লুকোচুরি খেলবো
ভেসে বেড়ানো ঐ মেঘের সাথে।
খোলা মাঠে খেলবো আমি,
ছুটবো নদীর সাথে।
খোলা আকাশে ঘুড়ি উড়াবো
পুরনো সেই বন্ধুদের সাথে।
দক্ষিণা হাওয়ায় দুলবো আমি
গাইবো পাখিদের সাথে।
কালবৈশাখী আসছে তবে,
ভয় কেন পাব তাতে।
বৃষ্টি এলে ভিজবো আমি
ইচ্ছেমতো কাঁদায় মাখামাখি করে।
শৈশব তুমি চলে এসো
আবার আমার অন্তরে।
মূর্তি
হ্যাঁ, তার কথাই বলছি-
যার কলির সন্ধ্যাটা শুরু হয়েছিলো-
জন্মের পর থেকেই।
জন্মের পর মারা যায় বাবা-মা,
বিয়ের পর শ্বশুর বাড়ির যন্ত্রণা,
স্বামী হলো তার রক্তচোষা,
সে আশ্রয় পাবে কোথা?
নিষ্পাপ শিশুদের একেকটি আবদার,
ইচ্ছেরা সব বাহানা খোঁজে এড়িয়ে যাওয়ার,
আত্মসংযমের কাছে।
মেটাতে না পারার বেদনা সকল মেঘ হয়ে জমে।
বৃষ্টি শেষে সে এক নতুন করে জন্মে।
সারা গাঁয়ে তার আঘাতের দাগ,
কিন্তু চুপ করে থাকাই যেন তার স্বভাব।
স্বামী তকে পরোয়া করে না,
তাকে কেউ মানুষ বলে মনে করে না,
যেনো সে ভেসে আসা কোন স্রোতের শ্যাওলা।
কিঞ্চিত সুখের আশা করলে,
লোকে তাকে বেবিচারিনী বলে?
তাহলে মানুষটা বাঁচবে কিসের আশায়?
যেনো তার জন্মানোটাই অপরাধ,
অথবা সে হয়তে বোঝেনি-
কারো কারো কাছে সেবার অর্থ
ভালোবাসা নয় শুধুই যে দাসত্ব।
কষ্টের বিস্ফোরণে মানুষটা যে একেবারে পাথর হয়ে গেছে!
চোখ দুটে থেকে অশ্রুও শুকিয়ে গেছে
তবে আঘাত করা ঐ কাঁটা অংশ থেকে
চুইয়ে-চুইয়ে গাল বেয়ে রক্ত ঝরছে
সে যেনে মূর্তিময়ী কোনো এক নারী অবয়ব!
যেনো বিষাদ বর্ষণে ক্লান্ত,
তার মৃত্যুর অনুচ্চারিত গন্ধ!
কৃষ্ণপক্ষের শেষ তিথি যেনো সেদিনই,
সে নিস্তব্ধ গভীর রাতে
নির্যাতনের অসহায় শোক তাকে-
স্বাজিয়ে দিলো আপন হাতে
তাকে কেরোসিনের আতর মাখিয়ে দিলো,
লাল টকটকে রক্ত দিয়ে –
টিপ আর আলতা পরিয়ে দিলো
তারপর গন্ধ মাখা আঁচলটাই আগুন ধরিয়ে দিলো,
সাথে সাথে দাও দাও করে আগুন জ্বলে উঠল!
খানিকপরে তার করুণ চিৎকার বাতাসে
প্রতিধ্বনি হয়ে আবার ফিরে আসে।
কিন্তু কিচ্ছুটি জানলো না কেউ?
কারও কানে পৌঁছয়নি এ করুণ আর্তনাদ?
তাহলে কি এটাই আমাদের সমাজ?
ফাল্গুনী স্কু : তরুণ কবি

ফাল্গুনী স্কু
নালিতাবাড়িতে ভূমি দখলকে কেন্দ্র করে মা ও মেয়ের ওপর হামলা
ব্রাদার গিয়োমের সাথে যত মধুর স্মৃতি ।। রঞ্জিত রুগা
https://www.youtube.com/watch?v=kkyELkNSAgo
‘লেখক অভিধান : পরাগ রিছিল’
: পরাগ রিছিল কবি-গবেষক-সংস্কৃতিকর্মী জন্ম : ১৯৮১ সালের ৩ জুলাই জন্মস্থান......বিস্তারিত
-
ধরাতী গ্রামে রংচু গালা অনুষ্ঠিত
: ২০২৫ সালের প্রথম রংচু গালা ধরাতী গ্রামে শুরু হয়েছে। গত...
-
প্রণব নকরেক-এর দুটি কবিতা
: অভিশপ্ত সিসিফাস আষাঢ়ে ভেজা পথ হাঁটছি একা মিলছেনা অবসর ক্লান্তিতে...
-
আজ লেখক ও গবেষক সুভাষ জেংচামের জন্মদিন
: গারো জাতিসত্তার বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক সুভাষ জেংচামের আজ জন্মদিন! থকবিরিম...
-
Ku’bibal ।। Dama।। Liang Ritchil
: Dama Liang Ritchil Rangri mandal gambari, Oe ku•monggrike dongari; Nokma...
-
লেখক অভিধান : পরাগ রিছিল
: পরাগ রিছিল কবি-গবেষক-সংস্কৃতিকর্মী জন্ম : ১৯৮১ সালের ৩ জুলাই জন্মস্থান...
-
নিগূঢ় ম্রং-এর দুটি কবিতা
: অদ্ভুত নেশা —————– খোঁপায় বুনোফুল লাল টকটকে দকমান্দা পড়া উদাসী...
‘ধরাতী গ্রামে রংচু গালা অনুষ্ঠিত’
: ২০২৫ সালের প্রথম রংচু গালা ধরাতী গ্রামে শুরু হয়েছে। গত......বিস্তারিত
‘লেখক অভিধান : পরাগ রিছিল’
: পরাগ রিছিল কবি-গবেষক-সংস্কৃতিকর্মী জন্ম : ১৯৮১ সালের ৩ জুলাই জন্মস্থান......বিস্তারিত




ধরাতী গ্রামে রংচু গালা অনুষ্ঠিত
প্রণব নকরেক-এর দুটি কবিতা
আজ লেখক ও গবেষক সুভাষ জেংচামের জন্মদিন
Ku’bibal ।। Dama।। Liang Ritchil
লেখক অভিধান : পরাগ রিছিল
নিগূঢ় ম্রং-এর দুটি কবিতা












